সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে প্রকৌশলীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা

Reporter Name
    Update Time : Thursday, May 21, 2026
  • 234 Time View
  1. নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা-রাজশাহী-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে ব্যাগ রাখা নিয়ে তর্কের জেরে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। দুই নারী যাত্রী পাবনার চাটমোহর স্টেশনে নেমে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় বখাটেদের ডেকে এনে সন্ত্রাসী কায়দায় ওই প্রকৌশলীর ওপর হামলা চালান। হামলার শিকার হন প্রকৌশলীর আসনে বসে থাকা এক কিশোরও। সোমবার রাত ৮টার দিকে রেলস্টেশনেই ঘটনা ঘটে। প্রকৌশলী ঢাকা থেকে রাজশাহী ফিরছিলেন। মারধরের শিকার অপর কিশোরের পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মামুনুর রশীদ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। পরে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে দুই নারী একই বগিতে ওঠেন। নিজেদের লাগেজ রাখার সুবিধার্থে তারা প্রকৌশলীর ট্রাভেল ব্যাগ সরিয়ে অন্য একটি ব্যাগের ওপর রাখেন। টাঙ্গাইল এলাকায় পৌঁছানোর পর বিষয়টি নিয়ে এক যাত্রীর সঙ্গে প্রকৌশলীর কথা কাটাকাটি হয়।  এ নিয়ে দুই নারী যাত্রীর সঙ্গে তাঁর বাকবিতন্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানার এএসআই শামীম আহমেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করেন। তিনি প্রকৌশলীর আসন পরিবর্তন করে দেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। কিন্তু চাটমোহর স্টেশনে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ওই দুই নারী ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার পর একদল যুবক বগিতে উঠে আসে। তারা প্রথমে  প্রকৌশলীর আসনে বসে থাকা কিশোরকে মারধর শুরু করে। পরে প্রকৌশলী মামুনুর রশীদকে শনাক্ত করে তার ওপর হামলা চালায়। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, হামলার সময় রেলওয়ে পুলিশের সহায়তা চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে পাওয়া যায়নি।  ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে আহত কিশোর তার বোনকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যায়।

রেলওয়ে জানায়, দুই নারী ‘জ’ বগির ৬৪ ও ৬৫ নম্বর আসনের যাত্রী ছিলেন। শ্রীলেখা দাস টিকিট ক্রয় করেছিলেন। তাঁর ভাই পরিচয়ে সুদীপ্ত সাহা দীপ বলেন, ট্রেনে তাঁর বোন ও স্ত্রী ভ্রমণ করছিলেন। তবে তিনি স্ত্রীর নাম প্রকাশ করতে চাননি। সুদীপ্ত সাহা দাবি করেন, প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ তাঁর বোন ও স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করেছিলেন। এ কারণেই তারা তাকে মারধর করেছেন।

তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ। তিনি বলেন, “যারা হামলা করতে এসেছিল, তাদের দেখে সন্ত্রাসী মনে হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত হয়েছেন। আহত কিশোরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।  তিনি মামলা করতে আগ্রহী নন।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved@railwayupdate24