পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বাসে আগুন-ককটেল হামলার রহস্য বের হবে: রাশেদ খান

Reporter Name
    Update Time : Tuesday, September 22, 2026
  • 16 Time View

(এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বের হয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। দেশকে অস্থিতিশীল করতে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে এসব কর্মকাণ্ড করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। এ সময় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচি এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়েও কথা বলেন তিনি। রাশেদ খান অভিযোগ করেন, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। তাদের মাধ্যমে বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটছে। তার দাবি, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এসব ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানা যাবে। এনসিপির এক নেতা আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন রাশেদ খান। একই দলের আরেক নেতা ১১ দলের দাবি মেনে নেওয়া হলে ককটেল বিস্ফোরণ আর হবে না বলে দাবি করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দল বা ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাশেদ খান বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ, এই দুই বিরোধী পক্ষকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে। এ কারণে বিএনপি বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়। একই সময়ে শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে দেশে ফিরতে চান বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাশেদ খান বলেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না? জুলাইয়ের সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন রাশেদ খান। সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি স্বাভাবিক কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। লংমার্চের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, লংমার্চের নামে পিকনিকের মতো ছবি তুলে ভিডিও করে তা ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে জানান তিনি। রাশেদ খান দাবি করেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না। এ সময় আওয়ামী লীগকে ফেরানোর জন্য অনেকে সক্রিয় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রসঙ্গে আদানি চুক্তির কথা তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, চুক্তি থাকলেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ দিচ্ছে, আবার কখনো দিচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে আওয়ামী লীগ অপতৎপরতা ও অসৌজন্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান। বিদেশের মাটিতে এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved@railwayupdate24